নয়ের দশকের হিট ছবির নস্টালজিয়া ফেরাল একটি সিনেমার গল্প

Spread the love
  • 752
  •  
  •  
  •  
    752
    Shares

ইন্দো-বাংলা ছবি ইদানীং নানা জটিল জটে আটকে থাকে। কখনও নীতিগত সমস্যা, কখনও আর্থিক। প্রসিদ্ধ সিনেমা ব্যক্তিত্ব আলমগীরের এই ছবি কিন্তু মোলায়েম ভাবেই সমাধান করে দিল সেসব। এ ছবির রিভিউ দেওয়ার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তার উপর আলোকপাত হওয়া জরুরি। তাই এ কথা বলে শুরু করলাম। প্রযোজক আলমগীর প্রথম থেকেই স্পষ্টভাষী। দুই বাংলায় ছবি রিলিজ করেছেন মুক্ত মন নিয়ে। লাভ লোকসানের অঙ্ক কষে নয়। নিজের জীবন ও অভিজ্ঞতা প্রসূত এই কাহিনিতে নায়ক ও নায়িকার ভূমিকায় আরিফিন ও ঋতুপর্ণা। দুজনকে এর আগে রঞ্জন ঘোষের আহারে ছবিতে দেখা গিয়েছে। দর্শক ও সমালোচকের প্রচুর প্রশংসা কুড়িয়েছে তাঁদের ছবি। তাই এই মুহূর্তে এপার বাংলায় ছবিটি রিলিজ করার পরিকল্পনাও যথাযথ। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে পাঁচ পাঁচটি জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই ছবি। সুতরাং কৌতূহল দর্শকমনে যথেষ্ট আছে।


ছবির ভাষায়, রূপায়নে ক্যামেরা ও এডিটের কায়দায় অনেকটাই নয়ের দশকের নস্টালজিয়া। এমনকি ইমোশন ও ডায়লগ ডেলিভারিতেও সেই মেজাজ অক্ষুণ্ণ। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর পর্দাকাঁপানো সেই সব নাচেগানেঅভিনয়েজমজমাট রঙ্গীন বাংলা ছবির হাতছানিও এখানে আছে। অনেক দিন পর দর্শক ফিরে পাবেন সেই বাণিজ্যিক ঘরানার স্বাদ ও স্মৃতি, এটাই পরিচালকের কাম্য ছিল। বদলে যাওয়া সময়ের আগে সেই সিঙ্গল স্ক্রিনের সাম্রাজ্য, বক্স অফিস মাতানো ছবির উপাচার সাজিয়েছেন পরিচালক। এখন দর্শকের উপরেই বিচারের দায়ভার।
সুন্দর, সপ্রতিভ আরিফিনকে ভাল লাগে। নায়কসুলভ ম্যানারিজম বেশ মানায়। তবে ছবির আসল ছড়ি পরিচালকের হাতে। তাঁরই অঙ্গুলিহেলনে সব চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তব ও রুপোলি, দুই জীবনের দোলাচল।
মন টানবে আঁখি আলমগীরের গান। পল্লিগীতির সুরে ‘দুবাই যাব হাওয়াইগাড়িতে’ বেশ মনোহর।
বাংলাদেশের এই ছবি এপার বাংলার মানুষকেও স্মৃতিমেদুর করে তুলবে, আশা করাই যায়।


Spread the love
  • 752
  •  
  •  
  •  
    752
    Shares