কেরিয়ারের শুরুতেই কোন কারণে শ্রীঘরে যেতে হয়েছিল কিং খানকে? জানুন

Spread the love
  • 6
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

সময়টা নব্বই দশকের। সোশ্যাল মিডিয়া বা মোবাইলের রমরমা তখন একেবারেই ছিল না, কিন্তু বলিউডের একটা প্রাচীন রীতি আছে যা হল কোনও তথ্য বেশি দিন লুকানো থাকে না, ফাঁস হয়ে যায়। তেমনই এক ঘটনা নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বলিউড।
সাল ১৯৯২ , সেই সময় শাহরুখ তখন ইন্ডাস্ট্রির হট কেক। তাঁর নামে বিভিন্ন দিকে নান রকম চর্চা এরই মাঝে একটি রিপোর্ট বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল। সেই সময় ‘মায়া মেম সাহেব’ নামে একটি সিনেমার অফার পান তিনি যেখানে। হিরোইনের সাথে একটি অতীব ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল, তো সেই শট এ ভালো ফল পাওয়ার জন্য ছবির পরিচালক শাহরুখকে বলেন একটি হোটেলে একটি রাত হিরোইনের সাথে একান্তে কাটাতে, তাতে তাঁদের জড়তা কেটে যাবে,শট দেওয়ার সময়ও সুবিধা হবে। এবার বিপত্তি ঘটে এখানেই, একটি রিপোর্টের মাধ্যমে বাজারে চাউর হয়ে যায় যে শাহরুখ তাঁর হিরোইনের সাথে অবৈধভাবে এক হোটেলে রাত কাটিয়েছেন। শাহরুখও ভুলবশত একটি সাংবাদিককে অনুমান করে বলেন যে তাঁর নামে নোংরা গুজব ছড়ানোর জন্য তিনি তাঁকে দেখে নেবেন। তখন ভয় পেয়ে তড়িঘড়ি সেই সাংবাদিক পুলিশকে ফোন করে দেন এবং বান্দ্রার পুলিশ শাহরুখ খান কে গ্রেফতার করে নিয়ে যান। এই ঘটনার জেরে সেই সাংবাদিককে শাহরুখ আরও কিছু কু-কথা শুনিয়ে দেন। যদিও থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁর সাথে পুলিশ স্টারসুলভ ব্যবহারই করেন, অনেকে ছবিও তোলেন তবুও এই অপমান তিনি মেনে নিতে পারেননি।

অবশ্য পরে জানা যায় যে সেই সাংবাদিক কিছুই করেননি অন্য একজন রিপোর্ট দিয়েছিলেন, এই ঘটনা জানার পর বাদশা নিজে গিযে তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে আসেন এবং ওই নির্দিষ্ট সিনটিও সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং বিতর্কও ধামাচাপা পড়ে যায়। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে ২০০৮ সালে সেই সিনটি ইন্টারনেটে বেরিয়ে গেলে আবার পুরোনো গল্প সামনে আসে, তবে সত্যি ঘটনা যেহেতু সবাই জানত তাই আর তেমন জলঘোলা হয়নি।


Spread the love
  • 6
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares